লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বিরুদ্ধে (Parliament Budget Session) অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে ইন্ডিয়া জোটের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে। কংগ্রেসের সিদ্ধান্তে কি দূরত্ব বজায় রাখছে তৃণমূল, নাকি পরিকল্পিত ভাবেই একলা চলো নীতিতে হাঁটছে তারা—এই নিয়েই শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
শাসকদলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ (Parliament Budget Session) তুলে মঙ্গলবার লোকসভার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয় কংগ্রেস। বেলা দেড়টার কিছু আগে লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেলের কাছে এই প্রস্তাব জমা পড়ে। তাতে ১১৮ জন সাংসদের স্বাক্ষর রয়েছে। সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে-সহ ইন্ডিয়া জোটের একাধিক দল এই প্রস্তাবে সমর্থন জানালেও তাতে কোনও তৃণমূল সাংসদের স্বাক্ষর নেই। আর তাতেই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
কেন এই অনাস্থা প্রস্তাবে (Parliament Budget Session) তৃণমূল সই করল না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। সূত্রের খবর, তৃণমূল কংগ্রেস চাইছিল অন্তত ২০০ জন সাংসদের স্বাক্ষর-সহ একটি চিঠি প্রথমে স্পিকারকে দেওয়া হোক। সেই চিঠিতে সংসদ পরিচালনা এবং স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে আপত্তির কথা উল্লেখ করার প্রস্তাব দিয়েছিল তারা। তৃণমূলের মত ছিল, সেই চিঠির পরেও যদি স্পিকার কোনও পদক্ষেপ না করেন, তবেই অনাস্থা প্রস্তাব আনা হোক।
কিন্তু কংগ্রেস তৃণমূলের (Parliament Budget Session) সেই প্রস্তাবে গুরুত্ব না দিয়ে একতরফা ভাবেই অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয় বলে অভিযোগ। তাতেই জোটের ভিতরের মতভেদ প্রকাশ্যে এসেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে বলেন, অনাস্থা প্রস্তাব আনার বিষয়ে তাঁদের কোনও আপত্তি ছিল না। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের বক্তব্য, তৃণমূল কেবল একটি ধাপে ধাপে এগোনোর প্রস্তাব দিয়েছিল। প্রথমে চিঠি দিয়ে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ, তারপর কয়েক দিন অপেক্ষা করে প্রয়োজনে অনাস্থা প্রস্তাব—এই ছিল তাঁদের কৌশল।
তবে কংগ্রেসের এই দ্রুত সিদ্ধান্তে ইন্ডিয়া জোটের ঐক্য কতটা প্রভাবিত হবে, তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।













