Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • জেন জিদের বিক্ষোভে সরকার পতন, আজ ভোটের লড়াইয়ে নেপাল
দেশ

জেন জিদের বিক্ষোভে সরকার পতন, আজ ভোটের লড়াইয়ে নেপাল

nepal election editted
Email :6

নেপালে (Nepal Election) রাজনৈতিক পালাবদলের পর আজ বৃহস্পতিবার সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত ৯ সেপ্টেম্বর গণবিক্ষোভের জেরে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির নেতৃত্বাধীন কমিউনিস্ট পার্টির সরকারের পতন ঘটে। প্রথমে তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন হিসেবে শুরু হলেও ধীরে ধীরে তা গণআন্দোলনের রূপ নেয়। তার জেরেই ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন ওলি। সেই প্রেক্ষাপটে আজকের এই নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে (Nepal Election)।

সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভোট চলছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নেপালের নির্বাচনকে সামনে রেখে মঙ্গলবার থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে ভারত-নেপাল সীমান্ত। শিলিগুড়ির পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত ৭২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রয়েছে। সীমান্ত বন্ধ থাকায় দুই দেশের নাগরিকদের যাতায়াত ও ব্যবসা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে জরুরি পরিষেবা, বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলের অনুমতি রয়েছে। নেপাল থেকে প্রতিদিন বহু রোগী শিলিগুড়িতে চিকিৎসার জন্য আসেন, তাঁদের কথা ভেবেই এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আগামী ৬ মার্চ সকাল থেকে সাধারণ মানুষের জন্য সীমান্ত খুলে দেওয়া হবে (Nepal Election)।

সীমান্ত বন্ধ থাকায় প্রভাব পড়েছে ব্যবসায়। পানিট্যাঙ্কি এলাকার ব্যবসা অনেকটাই নেপালের ক্রেতাদের উপর নির্ভরশীল। ব্যবসায়ী মহল জানাচ্ছে, নেপালে স্থায়ী ও স্থিতিশীল সরকার গঠিত হলে সীমান্ত বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আগেও ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (Nepal Election)।

সীমান্তরক্ষী বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারত থেকে শুধুমাত্র নেপালের নাগরিকরা পরিচয়পত্র দেখিয়ে দেশে ফিরতে পারছেন। একইভাবে নেপালে আটকে থাকা ভারতীয় পর্যটক বা শ্রমিকদের ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তবে শুক্রবার পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

নির্বাচন ঘিরে শিলিগুড়ি মহকুমার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি চলছে। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় রেখে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts