লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি বা তথ্যের অসংগতির তালিকা গ্রাম পঞ্চায়েত, বিডিও অফিস এবং স্থানীয় সরকারি দফতরে টাঙানোর নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হল সুপ্রিম কোর্টে। আদালতে জানানো হয়, শুনানির জন্য সময় খুবই কম। মাত্র চার দিন বাকি থাকলেও এখনও প্রায় ৬৩ লক্ষ ভোটারের শুনানি হয়নি। ভেরিফিকেশনের কাজ শেষ হওয়ার কথা ৭ ফেব্রুয়ারি এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। অথচ প্রায় এক কোটি মানুষের নাম তথ্যের অসংগতির তালিকায় উঠে এসেছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) তরফে আদালতে জানানো হয়, পঞ্চায়েতের শংসাপত্র বা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট কমিশন গ্রহণ করছে না। এতে সাধারণ মানুষ চরম সমস্যায় পড়ছেন। কমিশনকে নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়, যাতে কোন ভোটারের ক্ষেত্রে কোথায় অসংগতি রয়েছে এবং কী কারণে তাঁর নাম তালিকায় এসেছে, তা স্পষ্ট করে জানানো হয়। আইনজীবীদের দাবি, কমিশনের ওয়েবসাইটেই এই তথ্য প্রকাশ করা যেতে পারে।
এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণের পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানতে চান, এ সংক্রান্ত নতুন কোনও মামলা হয়েছে কি না। উত্তরে আইনজীবী জানান, তালিকার ৩৬ ও ৩৭ নম্বরে নতুন মামলা রয়েছে। প্রধান বিচারপতি বলেন, সেই মামলার শুনানি হবে। একই সঙ্গে তিনি জানতে চান, শুধুমাত্র নামের বিভ্রাটের কারণে কীভাবে ভোটারদের হয়রানি করা হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) আইনজীবী শ্যাম দেওয়ান আদালতে বলেন, অনেকের পদবি গাঙ্গুলি, রায় বা চট্টোপাধ্যায়। ২০০২ সালের ভোটার তালিকা ছিল বাংলায়। পরে ইংরেজিতে তর্জমার সময় বানান বদলে গিয়েছে। শুধুমাত্র এই বানান পরিবর্তনকে লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি বলা যায় না।
এই সময় রাজ্যের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ চান মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কোথাও তিনি ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না। আদালতের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, দয়া করে তাঁকে বলতে দেওয়া হোক। মানুষ কষ্ট পাচ্ছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গ থেকে এসেছেন এবং গোটা পরিস্থিতি নিজের চোখে দেখা বলেই আদালতে সব কথা বলতে চান।












