মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে কেরলের (Kerala) নাম বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে এই কথা জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, কেরলের নাম বদলে ‘কেরলম’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর আগে কেরল বিধানসভায় নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব পাশ হয়েছিল এবং পরে কেন্দ্রের কাছে অনুমোদনের আবেদন জানানো হয় (Kerala)।
মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির কাছে একটি বিল পাঠানো হবে, যার নাম হবে ‘কেরালা বিল, ২০২৬’ (Kerala)। রাষ্ট্রপতির সুপারিশের পর সেই বিল কেরল বিধানসভায় পাঠানো হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে রাজ্যের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে বদলে যাবে। প্রথম প্রস্তাবে কিছু প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। পরে সংশোধিত প্রস্তাব আবার বিধানসভায় পাশ হয়।
এই নাম পরিবর্তনের উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তিনি বিভিন্ন ভাষায় রাজ্যের এক অভিন্ন পরিচয় তুলে ধরার কথা বলেন। মালয়ালম ভাষায় বহুদিন ধরেই কেরলকে ‘কেরলম’ (Kerala) বলা হয়। ভাষাগত ঐক্য এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়কে গুরুত্ব দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গর নাম বদলের প্রসঙ্গও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই রাজ্যের নাম বদলে ‘বাংলা’ করার দাবি তুলেছিলেন। ২০১৮ সালে রাজ্য বিধানসভা থেকে সেই প্রস্তাব কেন্দ্রের কাছে পাঠানো হয়েছিল। তাঁর যুক্তি ছিল, ওয়েস্ট বেঙ্গল নামের কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাজ্যকে তালিকার শেষে থাকতে হয় এবং পূর্ববঙ্গ না থাকায় পশ্চিমবঙ্গ নামের আর প্রাসঙ্গিকতা নেই।
তবে বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রস্তাবিত নাম বাংলাদেশের সঙ্গে প্রায় মিল থাকায় কূটনৈতিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। ফলে সেই প্রস্তাবে এখনও অনুমোদন মেলেনি, আবার সরাসরি বাতিলও করা হয়নি। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অশ্বিনী বৈষ্ণব স্পষ্ট করে কিছু না জানিয়ে বলেন, মন্ত্রিসভায় কেরল সম্পর্কিত যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, তিনি শুধু সেটুকুই জানিয়েছেন।













