আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার তীব্র সমালোচনা করলেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ফাতালি (Iran)। তাঁর দাবি, এই হামলা স্পষ্ট অন্যায়ের উদাহরণ এবং আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক মর্যাদার বিরুদ্ধে।
ফাতালি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি শুধু রাজনৈতিক বা সামরিক সংঘর্ষ নয়। তাঁর মতে, এটি আসলে সত্য ও মিথ্যার লড়াই। একদিকে রয়েছে মানব মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার। অন্যদিকে রয়েছে দমন, অন্যায় এবং আধিপত্যের চেষ্টা (Iran)।
তিনি আরও বলেন, আমেরিকা ও ইজরায়েলের সামরিক হামলা আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে। তাঁর কথায়, এই আগ্রাসন শুধু ইরানের বিরুদ্ধে নয়, বরং বিশ্বের দেশগুলির নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকারকেও আঘাত করছে (Iran)।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘর্ষ অষ্টম দিনে পৌঁছেছে। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় একের পর এক তীব্র হামলার ঘটনা ঘটছে। শনিবার তেহরানেও ইজরায়েলের হামলার খবর পাওয়া যায়। রাজধানীর মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ শহরের কয়েকটি এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে (Iran)।
এর জবাবে ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়েছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সামরিক ঘাঁটিগুলিতে। উপসাগরীয় অঞ্চলে এই হামলার প্রভাব পড়েছে। ইরানের একটি আক্রমণ দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি হওয়ায় নিরাপত্তার কারণে সেখানে সাময়িকভাবে সব ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। শনিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, ইরানের মানুষ কখনও আমেরিকা বা ইজরায়েলের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না। তাঁর বক্তব্য, যারা ইরানের আত্মসমর্পণ চায়, তাদের সেই আশা মাটিতেই চাপা পড়ে যাবে।
তবে একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে দুঃখপ্রকাশও করেছেন তিনি। ইরানের পাল্টা সামরিক অভিযানের ফলে যেসব প্রতিবেশী দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে প্রেসিডেন্ট বলেন, পরিস্থিতির জন্য তিনি দুঃখিত।











