Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • সুপ্রিম কোর্টে উত্তেজনা! আইপ্যাক মামলায় সময় চাওয়ায় ক্ষুব্ধ আদালত
দেশ

সুপ্রিম কোর্টে উত্তেজনা! আইপ্যাক মামলায় সময় চাওয়ায় ক্ষুব্ধ আদালত

supreme court
Email :2

আইপ্যাক মামলায় আবারও সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) কাছে সময় চাইল রাজ্য। বুধবার বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে রাজ্যের পক্ষ থেকে এই আবেদন জানানো হয়। রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, তাঁরা আরও কিছু নথি জমা দিতে চান, তাই সময় প্রয়োজন।

এই আবেদনের বিরোধিতা (Supreme Court) করে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে সময় নষ্ট করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এবং চার সপ্তাহ সময় পাওয়ার পরেও নতুন করে সময় চাওয়া ঠিক নয়। বিচারপতিরাও স্মরণ করিয়ে দেন, ইতিমধ্যেই রাজ্যকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

শুনানির সময় তুষার মেহেতা আরও বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে হস্তক্ষেপ করা অত্যন্ত অস্বাভাবিক ঘটনা। অন্যদিকে রাজ্যের আইনজীবী শ্যাম দেওয়ান দাবি করেন, তাঁদের বক্তব্য ঠিকভাবে তুলে ধরার মতো সময় দেওয়া হচ্ছে না (Supreme Court)।

এর আগে ইডি আদালতে হলফনামা জমা দিয়ে জানায়, তল্লাশির সময় সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকায় অভিযান থামাতে বাধ্য হয় তাদের আধিকারিকরা। ইডির দাবি, তল্লাশি চলাকালীন কোনও তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশ বা নথি সরানো আইনসম্মত নয় (Supreme Court)।

রাজ্যের পক্ষ থেকে ইডির মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। তাঁদের বক্তব্য, ইডি একটি স্বতন্ত্র আইনি সত্তা নয়, তাই সংবিধানের নির্দিষ্ট ধারার অধীনে তারা সরাসরি মামলা করতে পারে না। এই বিষয়টি বিচার্য বলেও দাবি করে রাজ্য।

বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র বলেন, যদি কোনও মুখ্যমন্ত্রী তদন্ত চলাকালীন জোর করে ঢুকে পড়েন, তা কোনওভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা নয়। এতে ভবিষ্যতে অন্যরাও একই কাজ করতে উৎসাহিত হতে পারেন বলেও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন (Supreme Court)।

রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই ধরনের মামলা কেন্দ্রীয় সরকার করতে পারে, কিন্তু কোনও দপ্তর বা সংস্থা নয়। এ ক্ষেত্রে সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রয়োজন হলে বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা উচিত বলেও মত প্রকাশ করা হয়।

উল্লেখ্য, এই মামলার সূত্রপাত কলকাতায় আইপ্যাক কর্তার বাড়ি এবং অফিসে ইডির তল্লাশি ঘিরে। ইডির অভিযোগ, সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশ আধিকারিকরা সেখানে ঢুকে তদন্তে বাধা দেন এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে যান। যদিও রাজ্যের দাবি, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক তথ্য সংগ্রহ করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছিল।

এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী সপ্তাহে হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts