দেশজুড়ে এলপিজি সঙ্কট ক্রমেই গম্ভীর রূপ নিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে ভারত-কাতার এলপিজি (LPG Crisis)আমদানির নির্ভরতা কমিয়ে এবার আমেরিকা থেকে ১৭৬ হাজার টন এলপিজি আনা হচ্ছে। এর পাশাপাশি রাশিয়া এবং জাপান থেকেও এলপিজি আমদানি করা হচ্ছে। তবে নতুন উৎস থেকে এলপিজি আনতে সময় অনেক বেশি লাগছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সাধারণত ৭-৮ দিনে এলপিজি পৌঁছাত, আর আমেরিকা থেকে ৪৫ দিন লাগছে। রাশিয়া ও জাপান থেকে এলপিজি আসতে ৩৫-৪০ দিন সময় লাগছে (LPG Crisis)।
পরিবহন খরচও অনেক গুণ বেড়েছে। এই কারণে রাতারাতি এলপিজি সঙ্কট মিটছে না (LPG Crisis)। গত এক সপ্তাহে ভারতে ২.৭ লক্ষ মেট্রিক টন এলপিজি এসেছে। তবে এভাবেই দাম বাড়তে শুরু করেছে জ্বালানিতে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ২২ টাকা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি ডলারের তুলনায় ভারতীয় টাকার মানও কমে ৯৩.৭১ টাকা হয়েছে (LPG Crisis)।
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কটের মেঘ ঘনীভূত হওয়ায় ভারতের ওপরও এর প্রভাব পড়ছে (LPG Crisis)। কাতার, কুয়েত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ও ইজরায়েলের তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রগুলিতে ইরানের হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি উত্তপ্ত। এই পরিস্থিতির কারণে ভারতকে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে এলপিজি ও এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে।











