১৭ মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে স্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছে। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। শপথের দিনই তাঁর হাতে পৌঁছল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র (PM Modi) পাঠানো একটি ব্যক্তিগত চিঠি। চিঠিটি পৌঁছে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওম বিড়লা। পরে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন। সেই বৈঠকেই মোদির শুভেচ্ছাবার্তা ও ভারত সফরের আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন তিনি। সূত্রের খবর, চিঠিতে মোদি (PM Modi) বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শুভকামনা জানিয়ে সুবিধাজনক সময়ে দ্রুত ভারত সফরের আহ্বান জানিয়েছেন।
সাক্ষাতের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ওম বিড়লা জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব আরও গভীর করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র অপসারণের পর থেকেই দিল্লি-ঢাকা সম্পর্কে শীতলতা তৈরি হয়েছিল। সেই সময় অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে ছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তবে ভারত প্রকাশ্যে বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। কেবল খালেদা জিয়া-র মৃত্যুর পর ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর বাংলাদেশে গিয়ে শোকপ্রকাশ করেন এবং তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। তখনই দু’দেশের সম্পর্ক নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছিল বলে জানা যায়।
এবার বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ভারত সরাসরি বন্ধুত্বের বার্তা দিল। প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ও আমন্ত্রণকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল। ফলে প্রশ্ন উঠছে, নতুন সরকার গঠনের পর কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে দিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক? এখন নজর, তারেক রহমান কবে ভারত সফরে আসেন এবং দুই দেশের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।













