Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • দেশ
  • ৫৯০ কোটি টাকার ব্যাংক জালিয়াতি কাণ্ডে বড় সাফল্য, গ্রেপ্তার মাস্টারমাইন্ড-সহ চার অভিযুক্ত
দেশ

৫৯০ কোটি টাকার ব্যাংক জালিয়াতি কাণ্ডে বড় সাফল্য, গ্রেপ্তার মাস্টারমাইন্ড-সহ চার অভিযুক্ত

idfc bank
Email :3

হরিয়ানায় প্রায় ৫৯০ কোটি টাকার ব্যাংক জালিয়াতি (IDFC Bank fraud) মামলায় বড় সাফল্য পেল তদন্তকারী সংস্থা। সরকারি তহবিল ভুয়ো লেনদেনের মাধ্যমে আত্মসাৎ করার অভিযোগে চার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য ভিজিল্যান্স ব্যুরো। ধৃতদের মধ্যে মূল চক্রীও রয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তরা হলেন রিভভ ঋষি, অভয় কুমার, স্বাতী সিংলা এবং অভিষেক সিংলা। এদের মধ্যে দু’জন প্রাক্তন ব্যাংককর্মী (IDFC Bank fraud) এবং বাকি দু’জন একটি অংশীদারি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গিয়েছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাংক-এর চণ্ডীগড় শাখায় (IDFC Bank fraud) এই জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসে। অভিযোগ, হরিয়ানা সরকারের বিভিন্ন দফতরের সঙ্গে যুক্ত অ্যাকাউন্ট থেকে অনুমতি ছাড়াই বিপুল অঙ্কের টাকা অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এউ স্মল ফাইন্যান্স ব্যাংক এবং আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাংকে মুখ্যমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা প্রকল্পের নামে দু’টি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। সেখানে যথাক্রমে ৫০ কোটি ও ২৫ কোটি টাকা জমা রাখা হয় এবং সরকারি অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত সেই অর্থ অক্ষত রাখার নির্দেশ ছিল।

পরবর্তীতে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে সুদ-সহ অন্য ব্যাংকে টাকা স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হলে গরমিল ধরা পড়ে (IDFC Bank fraud)। এউ স্মল ফাইন্যান্স ব্যাংক সুদ-সহ প্রায় ২৫ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা ফেরত দিলেও আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাংক মাত্র প্রায় ১ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা স্থানান্তর করে। এতে সন্দেহ তৈরি হয় এবং তদন্তে বিশাল জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।

ব্যাংকের তরফে জানানো হয়েছে, কর্মীদের একটি অংশের মাধ্যমে ভুয়োভাবে সরানো প্রায় ৫৮৩ কোটি টাকা বিষয়টি সামনে আসার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হরিয়ানা সরকারকে ফেরত দেওয়া হয়েছে। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নায়াব সিং সাইনি বিধানসভায় জানিয়েছেন, সরকার ও ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে সুদ-সহ টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি কাজের জন্য আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাংক ও এউ স্মল ফাইন্যান্স ব্যাংককে প্যানেল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনায় বিরোধীরা কেন্দ্রীয় তদন্তের দাবি তুলেছে। ভিজিল্যান্স ব্যুরো বাকি টাকার হদিস ও দায় নির্ধারণে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারি প্রকল্পের বিপুল অর্থ নিয়ে এমন জালিয়াতির ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts