Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • বাংলাদেশ থেকে চালাত জঙ্গি নেটওয়ার্ক! অবশেষে গ্রেফতার লস্কর কমান্ডার
দেশ

বাংলাদেশ থেকে চালাত জঙ্গি নেটওয়ার্ক! অবশেষে গ্রেফতার লস্কর কমান্ডার

lasgkar e toiba rerrorist
Email :5

দিল্লি পুলিশের বড় সাফল্য সামনে এল। দীর্ঘদিন ধরে খোঁজ চলার পর অবশেষে ধরা পড়ল লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) এক কুখ্যাত জঙ্গি। দিল্লির সীমানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে সাব্বির আহমেদ লোনকে। জানা গিয়েছে, সে বহুদিন ধরেই ভারতবিরোধী নানা কার্যকলাপে জড়িত ছিল (Lashkar-e-Taiba)।

পুলিশ সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাব্বির লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) একটি সন্ত্রাসবাদী মডিউলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিল। তার নিয়ন্ত্রণে থাকা দল দিল্লি, কলকাতা সহ দেশের একাধিক জায়গায় হামলা চালানো এবং উস্কানিমূলক পোস্টার লাগানোর মতো কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ।

সম্প্রতি তার মডিউলের আরও কয়েকজন সদস্যকে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল (Lashkar-e-Taiba)। এবার মূল মাথাকেই ধরে ফেলল পুলিশ।

জানা গিয়েছে, সাব্বির জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগর এলাকার বাসিন্দা। বহুদিন ধরেই সে গোয়েন্দাদের নজরে ছিল। দীর্ঘ সময় বাংলাদেশে লুকিয়ে থেকে সে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাত। পাকিস্তানের প্রশিক্ষণ শিবিরে সে অস্ত্র চালনা ও অন্যান্য জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে।

প্রায় কুড়ি বছর ধরে এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল সে। তদন্তকারীদের দাবি, ভারতে অশান্তি ছড়ানোর জন্য বাংলাদেশ এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোক জোগাড় করত সাব্বির। তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে জঙ্গি সংগঠন গড়ে তোলার চেষ্টা করছিল।

পুলিশের দাবি, কলকাতা, মুর্শিদাবাদ এবং উত্তরবঙ্গ থেকেও কিছু যুবককে সে এই কাজে টানার চেষ্টা করেছিল। বাংলাদেশে বসেই সে পুরো নেটওয়ার্ক পরিচালনা করত এবং ধীরে ধীরে একটি বড় সংগঠন তৈরি করেছিল।

এই কুখ্যাত জঙ্গিকে ধরতে দীর্ঘদিন ধরে নজরদারি চালাচ্ছিল দিল্লি পুলিশের বিশেষ দল। প্রায় দু’মাস ধরে গোপনে পরিকল্পনা করে শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও দুই হাজার সাত সালে সাব্বিরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তখন তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল। পরে সে জেলে ছিল এবং দুই হাজার আঠারো সালে জামিনে মুক্তি পায়। এরপর আবার বাংলাদেশে গিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং নতুন করে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।

এই গ্রেফতারের ফলে একটি বড় সন্ত্রাসবাদী চক্র ভেঙে দেওয়া গেল বলে মনে করছে তদন্তকারীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts