বাংলাদেশে সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচন আদৌ কতটা বিশ্বাসযোগ্য, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে (Bangladesh)। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, প্রায় ৫০ শতাংশ ভোট পড়েছে। ভোটপর্ব শেষ হতেই দিল্লির তরফে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া সামনে আসে।
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের পক্ষে ভারত বরাবরই সমর্থন জানিয়ে এসেছে (Bangladesh)। বর্তমান নির্বাচনের ফলাফলের দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। ফল নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য না করলেও, ভারত যে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য ভোটপ্রক্রিয়ার পক্ষেই রয়েছে, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে দিল্লি।
অন্যদিকে বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই নির্বাচনকে প্রহসন বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুস একটি অবৈধ ও বেআইনি নির্বাচন আয়োজন করেছেন, যেখানে আওয়ামি লিগকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।
হাসিনার (Bangladesh) অভিযোগ, ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা থেকেই ভোটকেন্দ্র দখল, গুলি চালানো, অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনা, ব্যালটে জোর করে সিল মারা এবং ফলাফলের কাগজে এজেন্টদের স্বাক্ষর নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে রাজধানী-সহ দেশের বেশিরভাগ জায়গায় ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল খুবই কম বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বহু জায়গায় ভোটকেন্দ্র প্রায় ফাঁকা ছিল।
এই পরিস্থিতিতে তিনি নির্বাচন বাতিলের দাবি তুলেছেন। পাশাপাশি মহম্মদ ইউনুসের পদত্যাগ, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি, শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীদের মুক্তি এবং আওয়ামি লিগের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক মহলেও নজর বাড়ছে। দিল্লি ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকলেও, ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক থামার লক্ষণ আপাতত নেই।












