ভোটের আর মাত্র তিন সপ্তাহ বাকি। তার মধ্যেই রাজ্যজুড়ে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা (Deadbody)। আক্রমণ-পালটা আক্রমণের পাশাপাশি সামনে আসছে একের পর এক অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা, যা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিভিন্ন জেলায়।
বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় হলদি নদীর পাড় থেকে উদ্ধার হয় এক বিজেপি কর্মীর দেহ (Deadbody)। মৃতের নাম মহাদেব বিশ্বাস, বয়স সাতচল্লিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ভবানীপুর থানার পুলিশ। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর আর ফেরেননি তিনি। বুধবার দুপুরে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।
মৃতের পরিবারের দাবি, এটি খুনের ঘটনা। যদিও রাজনৈতিক কারণে খুন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত নন পরিবারের সদস্যরা। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, ভোটের মুখে দলীয় কর্মীকে খুন করা হয়েছে। তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে (Deadbody)।
এই ঘটনার মধ্যেই দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার রায়দিঘিতেও আর এক দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। মেনা গ্রামের বাসিন্দা কিশোর মাঝি নামে এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হয়েছে। অভিযোগ, একটি অনুষ্ঠানের মধ্যে থেকে ফোন করে ডেকে এনে তাঁকে খুন করা হয়। বিজেপির দাবি, নিহত ব্যক্তি তাদের কর্মী ছিলেন এবং পরিকল্পিতভাবে এই খুন করা হয়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিজেপি নেতা। মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন প্রার্থীও।
এদিকে নন্দীগ্রামেও এক বৃদ্ধের মৃত্যুকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। মৃতের নাম শক্তিপদ দাস। পরিবারের দাবি, তিনি বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে এই মৃত্যু নিয়েও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। জানা গেছে, তিনি আগে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরে তৃণমূলে যোগ দেন। তৃণমূলের দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে খুন করা হয়েছে। বিজেপির বক্তব্য, এটি সম্পূর্ণ পারিবারিক সমস্যা থেকে ঘটেছে।
ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যে এই ধরনের ঘটনার সংখ্যা বাড়ছে বলে মনে করছেন অনেকেই। একের পর এক মৃত্যু ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।













