শিলিগুড়িতে (Siliguri) প্রশিক্ষণ নিতে এসে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসক বা অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায়নি। এর জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি সহকর্মী ও পরিবারের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার সকালে দেহ আটকে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান বিভিন্ন জেলার সিভিক ভলান্টিয়ররা।
বিভিন্ন জেলা থেকে সিভিক ভলান্টিয়ররা শিলিগুড়ির (Siliguri) ১২ নম্বর ব্যাটেলিয়ানে প্রশিক্ষণ নিতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন কোচবিহারের মাথাভাঙা থানার সিভিক ভলান্টিয়র পঙ্কজ বর্মণ। অভিযোগ, রবিবার রাতে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভোরবেলায় সহকর্মীরা তাঁর অবস্থা খারাপ দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসক ও অ্যাম্বুলেন্সের খোঁজ করা হলেও তা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ। ব্যারাকের মধ্যে একাধিক গাড়ি থাকা সত্ত্বেও এবং খুব কাছেই কয়েকটি নার্সিংহোম থাকলেও পঙ্কজকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়নি বলেই দাবি সহকর্মীদের। শেষ পর্যন্ত ব্যারাকের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এই ঘটনার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন অন্য সিভিক ভলান্টিয়ররা (Siliguri)। তাঁরা দেহ আটকে রেখে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। খবর পেয়ে পঙ্কজের পরিবারও শিলিগুড়িতে পৌঁছয়। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও একই অভিযোগ তোলেন।
মৃতের জামাইবাবু বলেন, “পাশেই নার্সিংহোম ছিল। কিন্তু ওকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়নি। কোনও ডাক্তারও আসেননি। ওর পরিবারে ছোট একটা ভাই আছে। মা-বাবা নেই। এখন কীভাবে চলবে বুঝতে পারছি না।” মৃতের এক খুড়তুতো ভাইয়ের কথায়, “আমরা শুনেছি অ্যাম্বুলেন্স অনেক দেরিতে এসেছে। ওইখানকার লোকজন চেষ্টা করেছিল বাঁচাতে, কিন্তু পুলিশের গাফিলতি তো রয়েছেই।”
ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে (Siliguri)। কী কারণে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা গেল না, তা নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন সহকর্মী ও পরিবারের সদস্যরা।













