মধ্য হাওড়ায় (Howrah) প্রায় দু’হাজার মানুষের কাছে নির্বাচন কমিশনের নোটিস পৌঁছনোয় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ‘নন ইন্ডিয়ান সিটিজেন’। কিন্তু অভিযোগকারীর পূর্ণ নাম-ঠিকানা নেই। শুধু নাম এবং ঠিকানার জায়গায় লেখা রয়েছে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল’। এই নিয়েই এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
এই নোটিস ঘিরে মুখোমুখি হয়েছে সিপিএম এবং তৃণমূল কংগ্রেস। সিপিএমের আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের মধ্য হাওড়ার (Howrah) সহ সভাপতি সুশোভন চট্টোপাধ্যায়ের মধ্যে বচসা হয়।
এসআইআর শুনানিকেন্দ্রে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল নোটিসে। অধিকাংশ মানুষই আতঙ্কে শুনানিকেন্দ্রে যান এবং নিজেদের নথি জমা দিয়ে তথ্য যাচাই করান। কিন্তু অভিযোগকারীর স্পষ্ট পরিচয় না থাকায় প্রশ্ন উঠছে, এই নোটিস পাঠাল কে?
সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ, শাসকদল পরিকল্পিত ভাবে এই নোটিস পাঠিয়ে মানুষকে আতঙ্কিত করছে। পরে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে। সুশোভন চট্টোপাধ্যায় বলেন, সিপিএম এবং বিজেপি মানুষকে বিভ্রান্ত করতে একসঙ্গে কাজ করছে (Howrah)। এসআইআর নিয়ে হয়রানির বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট-এ সওয়াল করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
মধ্য হাওড়ার বাসিন্দা আলি আসগর জানান, হঠাৎ করেই তাঁর কাছে ‘নন ইন্ডিয়ান সিটিজেন’ তকমা দিয়ে নোটিস আসে। তিনি জেলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে ফোন করে বিষয়টি জানান। তাঁর দাবি, যারা এই ধরনের কাজ করছে, তাদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক।
ভূতুড়ে অভিযোগকারীকে চিহ্নিত করতে পারবে কি নির্বাচন কমিশন? এই প্রশ্ন এখন মধ্য হাওড়ার বহু বাসিন্দার মনে। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে।











