মালদহের কালিয়াচক ঘটনাকে (Maldah Incident) ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। সব পক্ষই এই ঘটনার পিছনে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, বিজেপি কিছু মানুষকে টাকা দিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তিনি নাম না করে অন্য কয়েকটি দলকেও এই ঘটনার জন্য দায়ী করেছেন (Maldah Incident)। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, পুরো ঘটনাটি আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল, এটি কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়।
এই পরিস্থিতিতে তদন্তে নেমে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা যাচ্ছে, ওই এলাকায় দিনের পর দিন সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত করা হচ্ছিল। ধীরে ধীরে ভয় ও ক্ষোভ তৈরি করে এই জমায়েত গড়ে তোলা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় নাম বাদ পড়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে (Maldah Incident)। সেই অভিযোগেই কালিয়াচকে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, সাত জন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা আটকে থাকতে হয়। ঘটনার দিনের যে ছবি সামনে এসেছে, তাতে বিডিও অফিসের সামনে বিপুল সংখ্যক মানুষের জমায়েত দেখা গিয়েছে। এত মানুষ হঠাৎ করে কীভাবে জড়ো হলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে (Maldah Incident)।
তদন্তে উঠে এসেছে, মোথাবাড়ি এবং সুজাপুর এলাকায় কিছু মানুষ সাধারণ ভোটারদের বোঝাচ্ছিল যে নাম বাদ গেলে তাঁদের বাংলাদেশ বা অন্য কোথাও পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে। এই ভয় থেকেই ধীরে ধীরে ক্ষোভ বাড়তে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত বড় আকারের জমায়েত তৈরি হয় (Maldah Incident)।
তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই সাত বিচারক এবং ধৃতদের সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রায় পনেরো জনের একটি দল এলাকায় ঘুরে দেখছে এবং তথ্য সংগ্রহ করছে। আগামী ছয় এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টে এই ঘটনার উপর একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই ঠিক হবে এই মামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হবে কি না।












