কালিয়াচক ঘটনার তদন্তে নতুন মোড় সামনে আসছে। আহত পাইলট কারের চালকের দাবি, এটি কোনও দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পনা করে হামলা চালানো হয়েছিল (NIA Investigation)। বর্তমানে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চালক তারিকুল আলম তদন্তকারীদের কাছে এই দাবি করেছেন।
তিনি জানান, মোথাবাড়ি থেকে গাড়ি চালিয়ে ফেরার সময় তাঁরা পালানোর চেষ্টা করছিলেন। সেই সময় আচমকা তাঁর মাথায় বাঁশের আঘাত লাগে। তিনি বলেন, তখন ঠিক বুঝতে পারেননি কী হয়েছে, এরপরই গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উলটে যায় (NIA Investigation)।
এই ঘটনার পর বিচারকদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময় যে কনভয় ছিল, সেই কনভয়ে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও পুলিশকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেছে তদন্তকারী সংস্থা। ঘটনায় আহত অন্য এক পাইলট কারের চালক রামপ্রসাদ মণ্ডলের সঙ্গেও কথা বলার জন্য হাসপাতাল যাবে তদন্তকারী দল (NIA Investigation)।
এছাড়া ঘটনার দিন মোথাবাড়ি থানায় দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই একটি বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি করা হবে। সেই রিপোর্ট প্রথমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে, পরে তা আদালতে জমা দেওয়া হবে।
এই রিপোর্ট তিনটি ভাগে ভাগ করে তৈরি করা হচ্ছে। প্রথম অংশে থাকবে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ, দ্বিতীয় অংশে সময় অনুযায়ী ঘটনাক্রম, আর তৃতীয় অংশে থাকবে আক্রান্ত বিচারকদের বক্তব্য।
উল্লেখ্য, গত বুধবার কালিয়াচকে একটি সরকারি কাজের সময় উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, বহু মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সেই ক্ষোভে বিক্ষোভকারীরা ব্লক অফিস ঘেরাও করে। সেখানে মহিলা সহ মোট সাত জন বিচারককে প্রায় নয় ঘণ্টা আটকে রাখা হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গভীর রাতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছলে বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোড়ে বলে অভিযোগ। সেই সময় বিচারকদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পাইলট কারেও হামলা চালানো হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনও উত্তেজনা বজায় রয়েছে এবং তদন্ত এগোচ্ছে।











