Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • জেলা
  • ভোটার প্রমাণ মানা হবে না? ডোমিসাইল নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তে চরম বিতর্ক
জেলা

ভোটার প্রমাণ মানা হবে না? ডোমিসাইল নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তে চরম বিতর্ক

suvendu adhikari aacc
Email :7

ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে রাজ্য ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে টানাপোড়েন আরও বেড়েছে। এই বিষয়েই ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের দেওয়া স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র বা ডোমিসাইল সার্টিফিকেটকে ভোটার পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ না করার নির্দেশ অনানুষ্ঠানিকভাবে জেলার নির্বাচন আধিকারিকদের জানানো হয়েছে (Suvendu Adhikari)।

মুখ্যমন্ত্রীর এই চিঠির পাল্টা জবাব দিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এরপর রবিবার ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ইস্যুতে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। সেখানে তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, আইনের বই ভালো করে পড়া দরকার। তাঁর দাবি, টানা ১০ বছর বসবাসের প্রমাণ না থাকলে সেই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আরও অভিযোগ, একটি নির্দিষ্ট সংস্থার তৈরি করা ফর্মুলা অনুযায়ী অবৈধ ভোটার, মৃত ভোটার এবং বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকায় ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ আরও তীব্র হয় যখন তিনি বলেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুর্নীতিগ্রস্ত জেলাশাসক সুমিত গুপ্তকে কলকাতা পুরসভার কমিশনার করে বরোভিত্তিক জন্ম শংসাপত্র দেওয়া হলে তা স্বাভাবিক ভাবেই অবৈধ হবে। যদিও তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশনের সফটওয়্যার অত্যন্ত আধুনিক এবং এই ধরনের কারচুপি ধরা পড়বেই।

ডোমিসাইল সার্টিফিকেট হল এমন একটি শংসাপত্র, যা প্রমাণ করে কোনও ব্যক্তি নির্দিষ্ট একটি রাজ্য বা অঞ্চলের স্থায়ী বাসিন্দা এবং সেখানকার নাগরিক সুবিধা পাওয়ার অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এসআইআর প্রক্রিয়ায় এই শংসাপত্র গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করা হচ্ছিল। সেই কারণে কলকাতা পুরসভায় ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা হঠাৎ করেই বেড়ে যায়। পুরসভার সদর দফতর থেকে শুরু করে বিভিন্ন বরো অফিসে দীর্ঘ লাইন পড়ে। সাধারণ মানুষকে সাহায্য করতে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের দফতর থেকে কলকাতার সব কাউন্সিলরের কাছে নির্দেশিকাও পাঠানো হয়। পুরসভা সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৮০টি করে ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের আবেদন জমা পড়ছিল।

কিন্তু এখন অভিযোগ উঠেছে, সেই ডোমিসাইল সার্টিফিকেটই আর গ্রহণ করা হচ্ছে না। এই বিষয়টি তুলে ধরে ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়া অপরিকল্পিত ও ত্রুটিপূর্ণ। রাজ্যের বক্তব্য মানা না হলে এই এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার দাবিও জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ঘিরে তৈরি হওয়া এই বিতর্কে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts