Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • জেলা
  • ভোটের আগে বড় চমক, বিজেপি ছেড়ে ফের তৃণমূলে দীপেন্দু বিশ্বাস
জেলা

ভোটের আগে বড় চমক, বিজেপি ছেড়ে ফের তৃণমূলে দীপেন্দু বিশ্বাস

dipendu biswas
Email :1

ভোটের আগে আবারও দলবদলের রাজনীতি নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি (Dipendu Biswas)। প্রাক্তন ফুটবলার ও বসিরহাট দক্ষিণের প্রাক্তন বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাস (Dipendu Biswas) ফের তৃণমূলে যোগ দিলেন। একসময় মাঠে সবুজ-মেরুন ও লাল-হলুদের জার্সিতে নজর কেড়েছিলেন তিনি। পরে রাজনীতিতে এসেও দলবদলের অভিযোগ থেকে মুক্তি পাননি। দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অভিমান করে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তবে দুই হাজার ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে আবার পুরনো দলে প্রত্যাবর্তন করলেন তিনি।

জানা গিয়েছে, বিজেপির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব অনেকদিন ধরেই তৈরি হয়েছিল। গত দেড় বছর ধরে তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাঁকে (Dipendu Biswas) দেখা যাচ্ছিল। রবিবার বসিরহাট জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে জেলা নেতৃত্বের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে ফেরেন তিনি। দলে যোগ দিয়েই দীপেন্দুর (Dipendu Biswas) দাবি, অভিমানের কারণেই তিনি দল ছেড়েছিলেন এবং বিজেপির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কার্যত ছিল না বললেই চলে। তাঁর কথায়, তিনি মাত্র একদিনের জন্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন এবং কোনও কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি।

দুই হাজার একুশ সালে তৃণমূলের টিকিট না পাওয়ায় দলত্যাগ করেছিলেন তিনি। ফলে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, আসন্ন নির্বাচনে টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই কি এই প্রত্যাবর্তন। যদিও দীপেন্দু জানিয়েছেন, টিকিট নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি এবং দল যে দায়িত্ব দেবে সেটাই তিনি পালন করবেন। একই দিনে বসিরহাট এক নম্বর ব্লকের কংগ্রেস নেতা আব্দুল কাদের সরদার সহ একাধিক কংগ্রেস, সিপিএম ও বিজেপি কর্মীও তৃণমূলে যোগ দেন।

উল্লেখ্য, দুই হাজার চৌদ্দ সালের উপনির্বাচনে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে লড়াই করলেও অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন তিনি। পরে দুই হাজার ষোলো সালে একই কেন্দ্র থেকে জয় পেয়ে বিধায়ক হন। কিন্তু দুই হাজার একুশ সালে টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ তৈরি হয় এবং দল ছাড়েন। এখন দুই হাজার ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে তাঁর মতো আরও কয়েকজন নেতার তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি করেছে। কিছুদিন আগেই অভিনেত্রী পার্ণো মিত্র ও শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়-এর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ভোটের আগে দলবদলের এই প্রবণতা ব্যক্তিস্বার্থ ও ক্ষমতার রাজনীতিকেই সামনে নিয়ে আসছে, যা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts