Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • জেলা
  • রিঙ্কুর বিস্ফোরক অভিযোগে তোলপাড় রাজনীতি, দলের ভিতরের গোপন লড়াই সামনে
জেলা

রিঙ্কুর বিস্ফোরক অভিযোগে তোলপাড় রাজনীতি, দলের ভিতরের গোপন লড়াই সামনে

rinku mazumdar and dilip ghosh
Email :2

মেদিনীপুরে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রিঙ্কু মজুমদার (Rinku Mazumdar)। তিনি রাজনৈতিকভাবে পরিচিত হলেও অধিকাংশের কাছে তিনি দিলীপ ঘোষ–এর স্ত্রী হিসেবেই বেশি পরিচিত। সম্প্রতি দলের ভেতরে দিলীপ ঘোষের সক্রিয়তা বাড়ার মাঝেই দলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন রিঙ্কু। অপেক্ষা করেও রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য–এর সঙ্গে দেখা করতে না পারার অভিমানও প্রকাশ করেন তিনি।

শুক্রবার মেদিনীপুরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন রিঙ্কু (Rinku Mazumdar)। দিলীপ ঘোষ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে না চাইলেও সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের অভিমান লুকোননি রিঙ্কু। তিনি জানান, দলের প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে নিজের জীবনপঞ্জি জমা দিয়েছেন। মেদিনীপুর, বীজপুর ও নিউটাউন—এই তিনটি কেন্দ্র থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ দেখিয়েছেন তিনি (Rinku Mazumdar)। রিঙ্কুর কথায়, প্রার্থী হওয়া সম্পূর্ণভাবে দলের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে। তবে তিনি শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, জয়ের লক্ষ্য নিয়েই ভোটে নামতে চান। বীজপুর তাঁর বড় হওয়ার জায়গা বলেই সেই কেন্দ্র নিয়ে আলাদা আবেগ রয়েছে বলে জানান তিনি।

এরপরই দলের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়ে রিঙ্কু (Rinku Mazumdar) বলেন, এতদিন তাঁকে পঞ্চায়েত স্তরেও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। দলের মণ্ডল স্তরের দায়িত্বেও তাঁকে ভাবা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, স্পষ্ট কথা বলার প্রবণতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানসিকতার কারণেই তাঁকে বারবার পিছনে রাখা হয়েছে। দলের ভিতরে কথা বলার সুযোগ না পেলে বিরোধীদের বিরুদ্ধে লড়াই করা কঠিন বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি। নিজের বক্তব্যে তিনি জানান, খোলাখুলি কথা বলার জন্য কেউ তাঁকে বাদ দিলেও তাতে তাঁর আপত্তি নেই।

রিঙ্কু আরও বলেন, রাজনীতি করতে গেলে অনেক সময় মিথ্যা বলা বা কৌশলী আচরণ প্রয়োজন হয়, কিন্তু তিনি সেই পথে হাঁটতে চান না। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে উপরে উঠতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সম্ভাবনাময় কর্মীদের সামনে আনা হয় না—এই অভিযোগ তুলে দলের অন্দরের একাংশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

রাজ্য সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগের প্রসঙ্গে রিঙ্কু জানান, তাঁর সহকারীর সঙ্গে কয়েকবার কথা হলেও সরাসরি দেখা করার সুযোগ পাননি। দুদিন দলীয় কার্যালয়ে অপেক্ষা করেও সাক্ষাৎ না হওয়ায় তিনি অপমানিত বোধ করেছেন বলে জানান। শেষ পর্যন্ত নিজের জীবনপঞ্জি অন্যের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন বলেও জানান রিঙ্কু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts