বামপন্থা আর ধর্মের অপ্রত্যাশিত মিলন ঘটেছে ভোটের ময়দানে (CPIM)। সিপিএম প্রার্থীরা এবার ধর্মের সঙ্গে ভোটের কৌশল মেলাচ্ছেন। রবিবার উত্তরপাড়ার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভোট প্রচারে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় মাড়োয়ারি সম্প্রদায়ের আয়োজিত যজ্ঞে ঘৃতাহুতি দিয়ে পুরোহিতের আশীর্বাদ নেন। তিনি জানান, “যার যা রুচি, সে সেটা করবে। আমাদের পার্টি এই সব প্রশ্নের উত্তর দিতে শেখায়নি (CPIM)।”
একই ধরনের দৃশ্য দেখা গেছে পানিহাটিতে। সিপিএম প্রার্থী (CPIM) কলতান দাশগুপ্ত শ্রীচৈতন্যদেবের মন্দিরে পুজো দিয়ে ভোট প্রচার শুরু করেছেন। মন্দিরে ঢুকে মালা পরে বিগ্রহ প্রণাম করেছেন তিনি। এই সব কার্যকলাপই কমরেডদের নাস্তিকতা ও মার্কসের ধর্ম-‘আফিম’ তত্ত্বকে নতুন দৃষ্টিকোণ দিয়েছে। যেখানে আগে ধর্মকে রাজনৈতিকভাবে দূরে রাখা হতো, সেখানে এখন প্রার্থীরা ধর্মীয় মঞ্চে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছ।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি সিপিএমের শূন্য ভোট থেকে পূর্ণসংখ্যার পথে একটি কৌশল। ইতিহাসে কমরেডরা কখনো কখনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানেই অংশ নিয়েছেন – যেমন সুভাষ চক্রবর্তীর তারাপীঠ পুজো বা রেজ্জাক মোল্লার হজযাত্রা। তবে এখন এটি নিয়মিত পর্যবেক্ষণযোগ্য ধারা। লাল পার্টি কি এভাবে ভোটের সংখ্যা বাড়াতে পারবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে যাচ্ছে।













