Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • জেলা
  • চল্লিশ বছরের বাস, একদিনে উচ্ছেদ? কান্না আর প্রতিরোধে থমকাল প্রশাসন
জেলা

চল্লিশ বছরের বাস, একদিনে উচ্ছেদ? কান্না আর প্রতিরোধে থমকাল প্রশাসন

chandrakona
Email :2

আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ ছিল বাড়ি ভাঙার (Paschim Medinipur)। সেই নির্দেশ কার্যকর করতে পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা পৌঁছেছিলেন ঘটনাস্থলে। কিন্তু বাড়ির বাসিন্দাদের প্রবল বাধার মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত ভাঙন না করেই ফিরতে হল তাঁদের। বৃহস্পতিবার এমন ঘটনাই ঘটেছে চন্দ্রকোনা-এ।

জানা গিয়েছে, চন্দ্রকোনা পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের (Paschim Medinipur) অযোধ্যা এলাকায় শ্রীকান্ত রানা, মধুসূদন রানা ও রাধারমন রানাদের জমি দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি পরিবার দখল করে রয়েছে বলে অভিযোগ। নিজেদের জমি ফিরে পেতে তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হন। পরে ঘাটাল আদালত-এর সিভিল জজ সিনিয়র ডিভিশন দুটি বাড়ি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

বাড়ি ভাঙতে বৃহস্পতিবার সেখানে যান চন্দ্রকোনা থানা-র পুলিশ (Paschim Medinipur), চন্দ্রকোনা দুই নম্বর ব্লকের বিডিও উৎপল পাইক এবং আদালতের কর্মীরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাড়ির বাসিন্দাদের এক ঘণ্টার মধ্যে ঘর ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু বাড়িতে থাকা সুকুমার দাস ও নিয়তি দাসের পরিবার সরতে রাজি হননি। তাঁরা কাঁদতে কাঁদতে পুলিশের পায়ে পড়ে যান এবং বাড়ির সামনে মানবপ্রাচীর তৈরি করেন।

পরিবারের দাবি, বাম আমলে ওই জমি খাস ঘোষণা করা হয়েছিল (Paschim Medinipur)। গত চল্লিশ বছর ধরে তাঁরা সেখানে বসবাস করছেন। তাঁদের নিজস্ব কোনও জমি নেই। বাড়ি ভেঙে দিলে কোথায় যাবেন, সেই প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। আরও জানান, আদালতের নির্দেশের কথা হঠাৎ করে জানতে পেরেছেন এবং সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে আবেদনও করেছেন। তাই এখন বাড়ি ভাঙা উচিত নয় বলেই তাঁদের দাবি।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন বলেও জানা যায়। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রশাসনের আধিকারিকরা বাড়ি না ভেঙেই সেখান থেকে ফিরে যান।

যদিও বাদীপক্ষের আইনজীবী কৃষ্ণেন্দু বিকাশ দত্ত জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ মানা হয়নি। তাই তাঁরা ফের আদালতের দ্বারস্থ হবেন। এখন নজর আদালতের পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts