দু’দিন ধরে চলা তাণ্ডবের পরও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, বেলডাঙার (Beldanga) অশান্তির নেপথ্যে কারা ছিল। স্থানীয় লোকজন নাকি বাইরে থেকে আসা কেউ— তা নিয়েই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। এই পরিস্থিতিতে শনিবার কড়া পদক্ষেপ নেয় পুলিশ। এখনও পর্যন্ত মোট ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন এক মিম নেতা (Beldanga) । ভোটের মুখে সেই ঘটনার জেরে প্রশ্নের মুখে পড়েছে মিমও।
গ্রেফতার হওয়া ওই মিম নেতার নাম মতিউর রহমান। শনিবার বেলডাঙায় (Beldanga) নতুন করে অশান্তি ছড়ানোর ঘটনায় তাঁকেই নেতৃত্বদানকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, কার্যত তিনিই এই হিংসার মূলচক্রী। শনিবার বড়ুয়া মোড় এলাকা থেকে মতিউরকে গ্রেফতার করা হয়। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং মারধরের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ও শনিবার বেলডাঙার (Beldanga) যে যে এলাকায় বিক্ষোভ হিংসাত্মক হয়ে ওঠে, প্রায় সব জায়গাতেই মতিউর রহমানের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। সংবাদমাধ্যম এবং সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়ো দেখে তাঁকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। সেই সব ভিডিয়োতেই দেখা গিয়েছে, অশান্তির সময়ে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিক হিংসাত্মক ঘটনার সঙ্গে মতিউর রহমানের নাম জড়িয়েছে। বেলডাঙার সাম্প্রতিক তাণ্ডব সেই তালিকায় নতুন সংযোজন বলেই মনে করা হচ্ছে।
শনিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ জানান, আপাতত অনেকের রাজনৈতিক পরিচয় স্পষ্ট নয়, তবে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে মতিউর রহমানের ভূমিকা নিয়ে আলাদা করে মুখ খোলেন তিনি। তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় উল্লেখ না করেই পুলিশ সুপার বলেন, একাধিক ভিডিয়ো দেখে মতিউরকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বড়ুয়া মোড়ে যে অশান্তি হয়েছে, সেখানেও তাঁকে দেখা গিয়েছে। পুলিশের দাবি, তিনিই ভিড়কে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন এবং এক ব্যক্তির উপর চড়াও হয়ে মারধর করছিলেন।











