Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • জেলা
  • গোড়ালির অপারেশন, তারপরই মৃত্যু! বনগাঁয় নার্সিংহোম ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য
জেলা

গোড়ালির অপারেশন, তারপরই মৃত্যু! বনগাঁয় নার্সিংহোম ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য

old woman dead
Email :4

উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় (Bongaon) একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে গোড়ালির অস্ত্রোপচারের পর এক বৃদ্ধার মৃত্যুকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন মৃতার পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ (Bongaon) থানার যশোর রোড সংলগ্ন একটি নার্সিংহোমে। পরে বনগাঁ থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মৃতার নাম সুচিত্রা বিশ্বাস। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বনগ্রামের(Bongaon) ঠাকুরপল্লীর বাসিন্দা বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের স্ত্রী সুচিত্রা বিশ্বাস গত ১২ ফেব্রুয়ারি পায়ের গোড়ালি ভেঙে যাওয়ায় নার্সিংহোমে ভর্তি হন। অভিযোগ, ১৬ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসক অম্লান দে তাঁর পায়ের অস্ত্রোপচার করেন। পরিবারের দাবি, অপারেশনের পর রাতে রোগীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দেখে বাড়ি ফিরে যান।

অভিযোগ, ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে ভিজিটিং আওয়ারে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে রোগীর সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তাঁদের বিভিন্ন অজুহাতে বাধা দেওয়া হয়। মৃতার কন্যা জোর করে ওয়ার্ডে ঢুকে নির্দিষ্ট বেডে রোগীকে দেখতে না পেয়ে বিষয়টি অন্যদের জানান। পরিবারের দাবি, রোগীর অবস্থার অবনতি সম্পর্কে আগে থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। কিছুক্ষণ পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সুচিত্রা বিশ্বাসের মৃত্যুর খবর দেয়।

মৃতার স্বামী বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের অভিযোগ, তাঁদের আলাদা করে ডেকে নিয়ে দেড় লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং বিষয়টি নিয়ে কোথাও অভিযোগ না জানানোর অনুরোধ করা হয়। এই অভিযোগ ঘিরে আরও ক্ষোভ ছড়ায় পরিবারের মধ্যে।

পরিবারের দাবি, চিকিৎসায় গাফিলতির কারণেই মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি চাপা দিতে ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁদের। খবর পেয়ে বনগাঁ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী তদন্ত করা হবে।

অন্যদিকে নার্সিংহোমের (Bongaon) প্রধান চিকিৎসক অম্লান দে জানান, বৃদ্ধা আগেই একাধিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন। অপারেশনের আগে পরিবারের সদস্যদের তা জানানো হয়েছিল। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়েই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং পরিবারের অনুমতিও ছিল। তাঁর দাবি, অপারেশনের পর রোগী সুস্থই ছিলেন। হঠাৎ করে সকালে হার্ট ফেলিওর হয়। ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেছেন।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এখন তদন্তে কী উঠে আসে, সেদিকেই তাকিয়ে পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts