ভোটের মুখে বাংলায় জোরদার প্রচারে নেমেছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একের পর এক সভা করে দলীয় বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন (Amit Shah)। শুক্রবারই নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করে বিজেপি, যেখানে পনেরোটি বড় প্রতিশ্রুতির কথা বলা হয়েছে। ডেবরার সভা থেকেও অমিত শাহ তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ডাক দেন। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবার বাংলায় পরিবর্তন আনার লক্ষ্যকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে (Amit Shah)।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অমিত শাহ (Amit Shah) দাবি করেছেন, বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে যে বিপুল জনসমাগম দেখা যাচ্ছে, তা শুধু ভিড় নয়, বরং পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত। তাঁর মতে, নির্বাচনের শুরুতেই বিজেপি অনেকটা এগিয়ে রয়েছে। গত নির্বাচনে যেসব এলাকায় দল পিছিয়ে ছিল, এবার সেখানেও ব্যাপক জনসমর্থন দেখা যাচ্ছে বলে দাবি তাঁর। তিনি বলেন, বাংলার মানুষ নাকি ইতিমধ্যেই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।
আইন-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গ তুলেও তৃণমূলকে আক্রমণ করেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর কথায়, আগে সাধারণ মানুষ ভয় পেত, কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। এখন নাকি তৃণমূলের কর্মীরাই সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়ায় আতঙ্কিত। অন্যদিকে তৃণমূল নেত্রী বিজেপির ওপর ভরসা না রাখার কথা বললেও শাহ দাবি করেন, বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই নরেন্দ্র মোদীর ওপর আস্থা রেখেছেন।
মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি জানান, এটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং তাৎক্ষণিক ভোট রাজনীতির সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। একইসঙ্গে তিনি বিগত কয়েকটি নির্বাচনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে বাংলায় বিজেপির বাড়বাড়ন্তের দাবি করেন।
অমিত শাহ জানান, একসময় রাজ্যে বিজেপির ভোটের হার খুবই কম ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে তা বেড়েছে। লোকসভা নির্বাচনে দলের ভোটের হার অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আসন সংখ্যাও বেড়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে আগের তুলনায় অনেক বেশি আসন জিতেছে বিজেপি। তাঁর দাবি, এই পরিসংখ্যানই বাংলায় দলের ক্রমবর্ধমান শক্তির প্রমাণ।
এই সব মন্তব্যকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভোটের আগে দুই প্রধান দলের মধ্যে চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে।











